|

বাংলাদেশের কোন রিহ্যাবিলিটেশন সেন্টার সেরা এবং কেন?

বাংলাদেশের কোন রিহ্যাবিলিটেশন সেন্টার সেরা এবং কেন?

রিহ্যাবিলিটেশন সেন্টার বা মাদক নিরাময় কেন্দ্র এটি এমন একটি জায়গা যেখানে মাদকে আসক্ত যুবক-যুবতীদের মাদকের নেশা থেকে মুক্ত করার প্রচেষ্টা করা হয়। রিহ্যাবিলিটেশন সেন্টারে শারীরিক, মানসিক চিকিৎসা ও সহযোগিতার মাধ্যমে মাদকাসক্ততা ছাড়ানো হয়।

রিহ্যাবিলিটেশন সেন্টার অনেকাংশেই কার্যকর এবং উত্তম ভূমিকা পালন করে। বর্তমান প্রেক্ষাপটে মাদকাসক্ত যুবক-যুবতী, কিশোর-কিশোরী আসক্তি মুক্তির জন্য দিনরাত কাজ করে যাচ্ছে। এজন্য অনেক রিহ্যাবিলিটেশন সেন্টার রয়েছে। কিন্তু এগুলোর মধ্যে কোনটা সবচেয়ে ভালো? এমন প্রশ্ন আমাদের অনেকেরই।

যুবক-যুবতীরাই হলো ভবিষ্যৎ। তাই তাদের সঠিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা আমাদের দায়িত্ব। যুবক-যুবতীদের মনোরোগ নিশ্চিত করে, আসক্তহওয়ার পেছনের কারণ নির্ণয় করে, সঠিক চিকিৎসা দেওয়াই রিহ্যাবিলিটেশন সেন্টারগুলোর উদ্দেশ্য।

ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কথা চিন্তা করে রিহ্যাবিলিটেশন সেন্টার গুলো পরিকল্পনার মাধ্যমে সেবা নিশ্চিত করে। মাদকাসক্ত যুবক-যুবতী, কিশোর-কিশোরী কখনোই ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সঠিক পথে নিয়ে যেতে পারে না। তাদের সঠিক শুশ্রূষা ও যত্ন নিশ্চিত করাই রিহ্যাবিলিটেশন সেন্টারের মূল লক্ষ্য।

কোনো মানুষ কখনোই নিজের ইচ্ছায় মাদকআসক্ত হয় না। কেউ জেনে বুঝে মাদকের মতো কঠিন ফাঁদে পা দেয় না। স্বভাবতই কোন মানসিক যন্ত্রণা, পারিপার্শ্বিক অবস্থা, পারিবারিক সমস্যা, ব্যক্তিগত সমস্যা ইত্যাদির কারণে মানুষ ভেঙে পড়ে। আর তখনই মানসিক শান্তি খোঁজার জন্য মাদকের আশ্রয় নেয়। মাদকাসক্ত হওয়া অবশ্যই দুর্বল মস্তিষ্কের কাজ।

তবে তা ধীরে ধীরে একজন সুস্থ মানুষকে গিলে খায়। মাদকদ্রব্য অতিরিক্ত ব্যবহারের ফলে তার উপর আসক্তি জন্মায়। আর তখনই মাদকদ্রব্য শারীরিক, মানসিক সকল দিক থেকে মানুষকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে শুরু করে। মাদকদ্রব্যের ওপর আসক্তি জন্মালে তাকে মাদকাসক্তি বলে।

মাদকাসক্তি কখনোই কারো জন্য কাম্য নয়। মাদকাসক্তির কারণে হরমোনে ভারসাম্যহীনতা দেখা যায়। শরীরে মাদকদ্রব্যের চাহিদা বৃদ্ধি পায়। এ অবস্থায় মাদকদ্রবের প্রতি আসক্তি কমাতে প্রয়োজন পড়ে রিহ্যাবিলিটেশন সেন্টারের বা মাদকাসক্তদের পুনর্বাসন কেন্দ্রের।

রিহ্যাবিলিটেশন সেন্টার গুলো সাধারনত আবাসিক হয়ে থাকে। এগুলোকে রেসিডেন্টসিয়াল রিহ্যাবিলিটেশন সেন্টার বা আবাসিক মাদকাসক্ত পুনর্বাসন কেন্দ্র বলা হয়। আবাসিক পরিবেশের মধ্যে এ রিহ্যাবিলিটেশন সেন্টার বা মাদকাসক্ত পুনর্বাসন কেন্দ্র স্থাপন করা হয়।

এই আবাসিক রিহ্যাবিলিটেশন সেন্টারগুলোতে একটি পারিবারিক পরিবেশ তৈরি করা হয়। যেখানে মনকে প্রফুল্ল রাখতে এবং শান্তি বজায় রাখতে সহায়তা করবে। এতে করে রোগী স্বাভাবিকভাবে শান্ত মস্তিষ্কে শান্তভাবে চিন্তা সক্ষম হবে। ফলে তাদের যে চিন্তা ক্ষমতা কিংবা মানসিক শক্তির অভাব ছিল। তা ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পাবে।

সাধারণত আত্মবিশ্বাস এর অভাবে কিংবা পারিপার্শ্বিক কোনো হতাশাজনক বিষয় এর কারনে মাদকাসক্তি আসে। এতে করে রোগীর নিজের মধ্যে আত্মবিশ্বাস ধীরে ধীরে কমে এবং মাদকের দিকে আকৃষ্ট হয়। এই জিনিসটাকে খেয়ালে রেখে আবাসিক রিহ্যাবিলিটেশন সেন্টারগুলো গড়ে উঠেছে।

পারিবারিক পরিবেশ তৈরির ফলে নিজস্ব আত্মবিশ্বাস সৃষ্টি হয় এবং নিজের যে গুণ গুলো সুপ্ত অবস্থায় ছিল তা ধীরে ধীরে প্রকাশ পেতে থাকে। এতে করে আবাসিক রিহ্যাবিলিটেশন সেন্টার গুলো কার্যকর ভূমিকা পালন করে।

রিহ্যাবিলিটেশন সেন্টার গুলোতে চিকিৎসা এবং মানসিক ভারসাম্য বৃদ্ধির জন্য নানা ধরনের সামাজিক কার্যক্রম করা হয়ে থাকে। একজন মাদকাসক্ত ব্যক্তি যখন সমাজের মধ্যে সামাজিক পরিবেশে থাকে থাকে। তখন অন্যরা তার দিকে ভিন্ন ভাবে তাকায়। ফলে মাদকাসক্ত ব্যক্তি সমাজের মধ্যে থাকলেও, একাকীত্ব বোধ করে।

তাই রেহাবিলিটেশন সেন্টারগুলোর আবাসিক সামাজিক পরিবেশ তৈরীর মাধ্যমে চিকিৎসা দানের ব্যাপারটি খুবই কার্যকর ভূমিকা পালন করে।

রিহ্যাবিলিটেশন সেন্টারগুলোর  চিকিৎসা পদ্ধতি

রিহ্যাবিলিটেশন সেন্টারগুলোতে সাধারণত কতগুলো ক্যাটাগরিতে চিকিৎসা প্রদান করা হয়ে থাকে। রোগীর অবস্থা বুঝে চিকিৎসা প্রদান করা হয়। যেমনঃ

প্রথম পর্যায়ঃ

এ পর্যায় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো রোগীর বর্তমান অবস্থা বুঝে, তাকে কিরকম চিকিৎসা দেওয়া হবে, কতদিন চিকিৎসা প্রদান করা হবে, তা ধারণা করা হয়। পাশাপাশি তার কোন কোন অংশে, কোন কোন ক্ষেত্রে চিকিৎসা প্রদান করতে হবে, তার অবস্থার উন্নতি জন্য কোন কোন বিষয়ে অধিক গুরুত্ব দিতে হবে সেটাও নির্ধারণ করা হয় এ পর্যায়ে। এ পর্যায় কিছুটা দীর্ঘস্থায়ী হয় এবং এ পর্যায়ের ফলাফলের উপর নির্ভর করে।

দ্বিতীয় পর্যায়ঃ

এ পর্যায়ে রোগীর প্রথম পর্যায়ের উপর নির্ভর করে চিকিৎসা নির্ধারণ করা হয়। মূলত প্রথম পর্যায় রোগীর কতটুকু উন্নতি হয়েছে। এবং কতটুকু চিকিৎসা কার্যকর হয়েছে। তা সঠিকভাবে মূল্যায়ন করা হয়। পাশাপাশি কোন ক্ষেত্রে চিকিৎসা দেওয়ার পরও উন্নতি হয়নি তাও এপর্যায়ে নিরধারন করা হয়।

পরবর্তীতে কোন কোন ক্ষেত্রে পুনরায় চিকিৎসা প্রয়োজন তাও এ পর্যায়ে নির্ধারণ করা হয়। এই পর্যায়ের মাধ্যমে রোগীর কাউন্সিলিং সম্পন্ন হয়। পাশাপাশি রোগীর পূর্ববর্তী চিকিৎসায় কোন ক্ষেত্রে অধিক গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। বা কোন ক্ষেত্রে ফলাফল ভালো হয়েছে তা পর্যালোচনা করা হয়।

এছাড়াও এ পর্যায়ে ঠিক করা হয় পরবর্তী চিকিৎসা কেমন হবে। কারণ প্রথম পর্যায়ের চিকিৎসার মাধ্যমে নির্ধারিত হয়ে যায় যে রোগীর কোন ধরনের চিকিৎসায় ফলাফল ভাল হয় এবং কোন ধরনের চিকিৎসায় খারাপ হয়। তাই এ পর্যায়টি খুবই গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়।

তৃতীয় পর্যায়ঃ

তৃতীয় পর্যায় বা শক্তিশালী পর্যায়। এ পর্যায়ে রোগীর মানসিক শক্তি বৃদ্ধির উপর কাজ করা হয়। রিহ্যাবিলিটেশন সেন্টারের আবাসিক ও পারিপার্শ্বিক অবস্থার ওপর নির্ভর করে রোগীর মানসিক অবস্থার কতটা উন্নতি হয়েছে বা হতে পারে তা দেখা হয়। এ পর্যায়ের চিকিৎসাধীন যে কোন ব্যক্তি নিজের উপর নিয়ন্ত্রণ ফিরে পেয়ে যায়। হারিয়ে ফেলা মানসিক শারীরিক শক্তি পুনরায় ফিরে পাওয়ায় রোগী আত্মবিশ্বাসী হয়।

চতুর্থ পর্যায়ঃ

চতুর্থ পর্যায় বা শেষ পর্যায়। এ পর্যায়ে মূলত রোগীর প্রায়োগিক ক্ষমতাকে দেখা হয়। রোগীর উপর ভিন্ন ভিন্ন পরিবেশ, পরিবর্তন এবং সে পরিবেশের উপর নির্ভরশীলতা সবকিছুই গবেষণা করা হয়।

রোগী কতটুকু নিজেকে আয়ত্ত করতে পেরেছে এবং সাধারণ সমাজে ফিরে যাওয়ার জন্য রোগীর কি প্রয়োজন। তা এ পর্যায়ে পরীক্ষা করে দেখা হয়। এই পর্যায় মূলত শেষ পর্যায়। এই পর্যায়ের পরেই রোগীকে ডিসচার্জ করে দেওয়া হয়।

সাধারণ মানুষের জিজ্ঞাসা থেকেই যায়, তা হলো রিহ্যাবিলিটেশন সেন্টারগুলো কি আদৌ কোন উপকার করে কিনা? রিহ্যাবিলিটেশন সেন্টারগুলো আসলেই উপকারী। বিশ্বের বড় বড় রিহ্যাবিলিটেশন সেন্টারগুলোর ফলাফলের পরিসংখ্যান করলে দেখা যায়,

• প্রতিবছর ৮৯ শতাংশ মানুষ রিহ্যাবিলিটেশন সেন্টারগুলোর মাধ্যমে মাদকমুক্ত হয়েছে। যারা কিনা আগে মাদকাসক্ত ছিল।
• ৬৯ শতাংশ মানুষ ৬ মাস রিহাবে কাটানোর পরে থেকে মাদকাসক্তি থেকে মুক্তি পেয়েছে ৮৫ থেকে ৯৫ শতাংশ মানুষ।
• দীর্ঘ নয় মাস রিহাব সেন্টারে কাটানোর পর অনেকেই সকল প্রকার মাদকদ্রব্য থেকে আসক্তি কাটাতে পেরেছে।

এ পরিসংখ্যান দেখে বলা যায়, রিহ্যাবিলিটেশন সেন্টার গুলো আসলেই বেশ কার্যকর ভূমিকা পালন করে।

মাদকাসক্ত প্রতিটা প্রতিটা দেশের একটি বড় সমস্যা। তরুণ-তরুণী, যুবক-যুবতী বা কিশোর-কিশোরীরা সাধারণত বেশি মাদকাসক্ত হয়। বাংলাদেশ তার ব্যতিক্রম নয়।মাদকাসক্তের সমস্যা যেরকম আছে, তেমনই এ সমস্যার সমাধানও আছে।

বাংলাদেশের সরকারি এবং বেসরকারি পরিসরে অর্ধশতাধিক রিহ্যাবিলিটেশন সেন্টার বা মাদকাসক্ত পুনর্বাসন কেন্দ্র আছে। বাংলাদেশের রেহাবিলিটেশন সেন্টারগুলোর উদ্দেশ্য শুধুমাত্র মাদকাসক্তদের পুনর্বাসনই নয় বরং মানসিক স্বাস্থ্য সেবা দেয়াও। বর্তমানে রিহাব সেন্টারগুলোর মধ্যে উন্নত প্রযুক্তি, উন্নত সুবিধা এবং বন্ধুত্বপূর্ণ আচরণের মাধ্যমে স্বাস্থ্যসেবা দেয়া হয়।

বাংলাদেশ এর যতগুলো রিহাব সেন্টার ও মানসিক হাসলাতাল রয়েছে তার মধ্যে “নিরাময় হাসপাতাল” সেরা অবস্থানে রয়েছে। নিরাময় রিহাব সেন্টার বর্তমান সময়ে মাদকের দিকে কঠিনভাবে ঝুকে পড়া মানুষগুলোকে সুস্থ জীবনে ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে এগিয়ে যাচ্ছে।

পাশাপাশি এই হাসপাতালে মানসিক রোগের চিকিৎসা কার্যক্রমও বিশেষ ভাবে সুপ্রভাব ফেলেছে রোগী এবং রোগীর স্বজনদের মাঝে। কেননা নিরাময় হাসপাতাল সকল প্রকার রিহাবিলেশন সেবা নিশ্চিত করে থাকে এবং রোগীর যাবতীয় যেসব কাউন্সেলিং দরকার, তার মাধ্যমে সুস্থ করে তোলে রোগীকে। নিরাময় হাসপাতালে যেসব রোগী চিকিৎসা নিয়েছে তাদের মতামত এর ভিত্তিতে এমনটাই প্রমান পাওয়া গিয়েছে সর্বদা।

নিরাময় হাসপাতাল এর অবস্থানঃ

নিরাময় হাসপাতাল বর্তমানে ঢাকার প্রাণকেন্দ্র মোহাম্মদপুর এ তাদের সেবামুলক কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে। সরাসরি সেবা নিতে চলে যেতে পারেন তাদের ঠিকানায়।

ঠিকানাঃ ১৩/১৯, ব্লক-বি, বাবর রোড, মোহাম্মদপুর, ঢাকা-১২০৭।
এছাড়াও মোবাইলের মাধ্যমে বিস্তারিত জানতে ও এপয়েনমেন্ট নিতে পারেন নিচের হটলাইন নাম্বারে কল করে।

হটলাইনঃ +880 2-48120112, 01758338888, 01775015010

ই-মেইল এর মাধ্যমেও তাদের সাথে যোগাযোগ করা যাবে খুব সহজেই।
ই-মেইলঃ niramoy247@gmail.com

নিরাময় হাসপাতালে যোগাযোগ করে আপনার কাঙ্খিত সেবাটি বুঝে নিতে পারেন অতি সহজেই। তাদের সহোযোগিতার হাত সর্বদা প্রসারিত আপনার-আমার জন্য।

নিরাময় হাসপাতাল কেন সেরা?

নিরাময় হাসপাতালের এর নাম তারা নিষ্ঠা এবং কাজ দিয়ে উজ্জ্বল করে রেখেছে সর্বদাই। নিরাময় হাসপাতাল একই সাথে রিহাব সেন্টার এবং মানসিক হাসপাতাল হিসেবে তাদের সেবা দিয়ে যাচ্ছে।

বাংলাদেশে অনেক নিরাময় কেন্দ্রই রয়েছে তবে তার মধ্যে নিরাময় হাসপাতাল সেরা হওয়ার কারণ হচ্ছে রোগী সুস্থ হওয়ার পরও অনেক সময় মাদকের দিকে ঝুকে পড়ে, তার ফলে তাকে রিহাব সেন্টারে থাকাকালীন মাদক থেকে ফেরাতে যেসব চিকিৎসা দেয়ার মাধ্যমে তাকে সুস্থ করে তোলা হয়, তা বিফলে চলে যায়।

কিন্তু, নিরাময় রিহাবিলেশন সেন্টার তাদের চিকিৎসা পরবর্তী কাউন্সেলিং সেবা দিয়ে থাকে। তার সুবাদে রোগী পরবর্তীতে মাদকের থেকে দিকে ঝুকে পড়ে না এবং সুস্থ জীবন-যাপনে ব্রত হতে পারে। এছাড়াও মানসিক হাসপাতাল হওয়ায় মানসিক রোগীর সকল প্রকার সুবিধা অসুবিধা মাথায় রেখে মানসিক রোগীর প্রয়োজনীয় কাউন্সেলিং সেবা নিশ্চিত করে নিরাময় হাসপাতাল।

বাংলাদেশের অন্যান্য রিহাব সেন্টার ও মানসিক হাসপাতাল এর দিকে লক্ষ্য করলে জানা যায় অনেক হাসপাতালে রোগীকে মারধোর, অনাহারে রাখা, রোগীর আত্নীয় স্বজনের সাথে দেখা করতে না দেয়া, অসুস্থ পরিবেশ তৈরী করে তাকে মানসিক অত্যাচার করা সহ বিভিন্ন প্রকার টর্চার করা হয়।

যাতে রোগী শারীরিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি মানসিক ভাবেও ভেঙ্গে পড়ে এবং তার সুস্থতার পথে ব্যাঘাত ঘটে। কিন্তু নিরাময় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাদের রোগীর সুস্থ জীবন নিশ্চিতের লক্ষ্যে বদ্ধ পরিকর যার দ্বারা এপর্যন্ত চিকিৎসা নেয়া সকল রোগী ভালো আছে এবং নিয়মিত/প্রয়োজনে তাদের চিকিৎসা পরবর্তী কাউন্সেলিং সেবা নিশ্চিত করে যাচ্ছে নিরাময় হাসপাতাল। অর্থাৎ রোগীর সুস্থতা অর্জন এবং নিজেদের সুনাম বর্ধনে নিরাময় হাসপাতাল অনন্য।

নিরাময় হাসপাতালের সেবা সমূহ

নিরাময় হাসপাতাল একই সাথে একটি মাদকাসক্তি রিহাব সেন্টার এবং মানসিক হাসপাতাল। নিরাময় হাসপাতাল থেকে এখন পর্যন্ত সহস্রাধিক রোগী সেবা গ্রহণ করে এখন সুস্থ ভাবে জীবন যাপন করছেন। নিরাময় হাসপাতালে রয়েছে অভিজ্ঞ সাইকোথেরাপিস্ট।

যারা তাদের সু-চিকিৎসার মাধ্যমে রোগীকে ধ্বংস হওয়ার দিক থেকে স্বাভাবিক জীবনের দিকে ফিরিয়ে আনে। নিরাময় হাসপাতাল একই সাথে নিজেদের রিহাব সেন্টারে অথবা হোম সার্ভিসের মাধ্যমেও রোগীর চিকিৎসা নিশ্চিত করে থাকে।

১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে এই প্রতিষ্ঠান তাদের সেবামূলক কর্মকান্ড অব্যাহত রেখে চলেছে। এই পর্যন্ত সহস্রাধিক রোগীকে তাদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে দিতে সফল ভূমিকা পালন করেছে নিরাময় হাসপাতাল এর ডাক্তার এবং কর্তৃপক্ষগণ।

কেননা, রোগীর সুস্থতাই আমাদের কাম্য। এই ব্রত নিয়ে কাজ করেই এক দশকেরও বেশি সময় ধরে সারা বাংলাদেশে প্রথম সারিতে অবস্থান করছে নিরাময় হাসপাতাল (রিহাব সেন্টার ও মানসিক হাসপাতাল)।

বর্তমানে বাংলাদেশে অনেক রিহাব সেন্টার এবং মানসিক হাসপাতাল আগাছার মত ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে। যাতে চিকিৎসা নিতে গিয়ে মানুষ প্রতারণার স্বীকার হচ্ছে এবং মানবেতর জীবনযাপন এর স্বাক্ষী হচ্ছে অহরহ। তাই নিজের/স্বজনের সুস্থতার লক্ষ্যে কোন প্রকার সংকোচ না করে চলে যেতে পারেন তাদের নিকট।

BOOK APPOINMENT